আমাদের এখানে জিপি এর নেট বন্ধ থাকার কারনে, এলিএন(পর্ব- নিরো) পোষ্ট করতে পারি নাই । তাই আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করিতেছি
এখন থেকে এই
আমরা একাকি নই…..এলিএন(পর্ব- নিরো) এর পোষ্ট
প্রতি সপ্তাহে বিশাল আকারে দেওয়া হবে।
আমি আবারো ইন্দ্রিয় শক্তি দিয়ে রক্সিল এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলাম,
কিন্তু !!!!!! এ আমি কার সাথে যোগাযোগ করছি, কে এই ?
ইন্দ্রিয় শক্তি দিয়ে যোগাযোগ এর উত্তর আসল,
————-তোমার ইন্দ্রিয় শক্তি এখন আমাদের কাছে,
এখন বাইরের কারো সাথে তুমি যোগাযোগ করতে পারবে না।
—-কে আপনি ?
—-কেন এমনটি করছেন ?
[ কোন উত্তর পেলাম না ]
আবারো ইন্দ্রিয় শক্তি দিয়ে রক্সিল এর সাথে করার চেষ্টা করলাম, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারলাম না ।
তাহলে উপায় !!!!!!!
কিছুই করতে পারবো না ??????
আমার হাত পা বাধা কোথা্ও যেতে পারছিনা,
নিশ্চয় এতক্ষন রক্সিল এসে গেছে,
রক্সিল না আসলে তো আমি এখান থেকে মুক্তি পাবনা,
আর ওরা কিছুক্ষন পরে চলে আসবে,
রক্সিল এর আশায় বসে থাকলে চলবে না,
বসে বসে ভাবছি !!!!!!
আমি লজার রশ্মি গুলোর দিকে লক্ষ করতে লাগলাম,,,,,
ভাবলাম এই লেজার রশ্মির ভেদ করেই এখান থেকে পালাতে হবে,
কিন্তু আমি শক্তিশালি হলোগ্রাফিক চেয়ারে আটক আছি,
আমি আমার শরীরের লেজার রশ্মি চালু করলাম,
আমার সম্মুখ লেজার রশ্মিকে আঘাত করার চেষ্টা করলাম,……..
আঘাত করা মাত্রই access is denied লেখাটি উঠে আসল।
একটা কোড চাইল, কিন্তু কিসের কোড তা তো আমি জানি না।
ট্রান্সলেটর রুমের জন্যই access is denied লেখাটি বুঝতে পারলাম।
বুঝলাম এই ট্রান্সলেটর রুম টা পুরো ইউনিভার্স এর সকল জাইতর জন্যই।
জাকগে ………
আমি চেষ্টা করতে লাগলাম,
কয়েক লাইন এর লেজার হ্যাকিং কোড দিয়ে ওদের নিরাপত্তা ধংস্ব করার চেষ্টায়,
অবশেষে সফল হলাম ।
আমি হলাম যে, হলোগ্রাফিক চেয়ার টাকে যেখান যেতে বলছি চেয়ার টা সেখানেই যাচ্ছে।
আমার সম্মুখ লেজার দেয়ালটা একেবারে অকেজো করে দিয়েছি।
এবার বেরুবার সময়……………
কিন্তু আমার হাত পা হলোগ্রাফিক চেয়ারের বাধাঁ ।
লেজার রশ্মি দেয়াল যখন হ্যাক করে অকেযো করলাম,
তখন একটু চেষ্টা করলেই হয়ত হলোগ্রাফিক চেয়ার থেকে মুক্তি পাবই।
কিন্তু বার বার চেষ্টায় ব্যার্থ হলাম
আশ্বর্য এর বিষয়, যেখানে আমি ইন্দ্রিয় শক্তি দিয়ে রক্সিল এর সাথে যোগাযোগ
করাতে রুমের সিকিউরিটি রোবট তাদের বস কে সংকেত দিচ্ছিল,
কিন্ত এখন যখন লেজার রশ্মির রুম হ্যাক করলাম তবুও সিকিউরিটি রোবট কিছুই বলল না।।।।!!!!???
অবাক হয়ে গেলাম……..
ব্যাপার কি ?
আমি হলোগ্রফিক চেয়ারে বসে আছি………
আমার মাথার উপর ঠিক এক কোনে একটি অত্যাধুনিক মেশিন বসানো,যত সম্ভব এটা ট্রান্সলেটর মেশিন ই হবে….<<<
ট্রান্সলেটর মেশিনটাও হলোগ্রাফিক সিসটেম এ তৈরি।
এই ট্রান্সলেটর মেশিনটা থেকে যে লাল আলো বের হচ্ছে,
তা সেটা, আমাদের ভাষাকে ট্রান্সলেট করে দিচ্ছে।
আমি হলোগ্রাফিক চেয়ার টাকে সেই হলোগ্রাফিক ট্রান্সলেটর মেশিনটার দিকে যেতে বললাম,
আমি তো অবাক যে সব কিছুই আমার কথামত হচ্ছে।
এমন সময়………………………………………………………….
No comments:
Post a Comment